✊ যারা সাদ্দামের পাশে দাঁড়ায়নি, তারা গাজার পাশে কিভাবে দাঁড়াবে?
কিন্তু আপনি দাঁড়িয়েছেন, ইমাম আয়াতুল্লাহ খামেনী!
১৯৯০-এর দশকে যখন একে একে মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা শক্তির আগ্রাসন শুরু হয়—তখন সাদ্দাম হোসেন, তারপর মুয়াম্মার গাদ্দাফী, আর আজ হামাস ও গাজা—আমরা সেই চিত্রেরই পুনরাবৃত্তি দেখছি।
🕯️ ইতিহাস আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে:
- সাদ্দাম হোসেনকে “ডিকটেটর” বলার পর মার্কিন আগ্রাসনে পুরো ইরাককে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।
- গাদ্দাফীর মৃত্যুর পর লিবিয়া পরিণত হয়েছে এক অরাজক, পরাধীন রাষ্ট্রে।
- আজ ফিলিস্তিনে একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা চলছে—ইসরাইলের নৃশংস বোমাবর্ষণে নিহত হচ্ছে হাজার হাজার শিশু, মা, বৃদ্ধ।
কিন্তু তখন যেমন মুসলিম বিশ্ব চুপ ছিল, আজও তেমন নীরব— কেউ ফতোয়া দেয় না, কেউ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাধা দেয় না, কেউ পশ্চিমা প্রভুদের রোষে পড়তে চায় না।
💥 কিন্তু একজন দাঁড়িয়েছেন!
ইরান দাঁড়িয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনী দাঁড়িয়েছেন।
“আমরা ফিলিস্তিনের পাশে আছি—কেবল কথায় নয়, প্রয়োজনে লড়াইয়ে।” — ইমাম আয়াতুল্লাহ খামেনী
তাঁর নেতৃত্বে ইরান রাষ্ট্রীয়ভাবেই প্রতিরোধ আন্দোলনকে সমর্থন দিয়েছে। তাঁর কণ্ঠে গাজা, আল-কুদস ও মজলুমদের জন্য দোয়া উঠে আসে, রাজনৈতিক ঘোষণা নয়—একজন উম্মাহর পিতার আহ্বান হিসেবে।
📜 ইমাম খামেনীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
- জন্ম: ১৯৩৯, মাশহাদ, ইরান
- ইমাম খোমেনির বিপ্লবে অগ্রণী ভূমিকা
- ১৯৮১ সালে ইরানের প্রেসিডেন্ট
- ১৯৮৯ সাল থেকে সর্বোচ্চ নেতা
- সর্বদা সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরাইল বিরোধী অবস্থান
- ঐক্যের ডাক, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও প্রতিরোধে বিশ্বাসী
🤝 আমি আকীদাগত বিষয় বুঝি না। কিন্তু ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য জানি।
আমি জানি— আপনি শিয়া, আমি সুন্নী হতে পারি। আপনি ইরানি, আমি বাংলাদেশি। কিন্তু আমাদের বুকের ব্যথা একটাই—মুসলমানদের রক্তপাত।
আপনি দাঁড়িয়েছেন সবার বিপরীতে, একা, কিন্তু সত্যের পক্ষে। আপনি কারও হুকুমের অপেক্ষা করেননি। আপনি আমার কাছে সত্যিকারের "ইমাম"।
🕊️ হয়তো আপনাকেও হারাবো আমরা...
দুনিয়ায় সত্য কথা বলা মানুষের আয়ু বেশিদিন হয় না। যারা সত্য উচ্চারণ করে, তাদের জন্য থাকে নিষেধাজ্ঞা, হামলা, শত্রুতা।
তবুও, হে খামেনী— আমাদের দোয়া থাকবে আপনার জন্য। আল্লাহ যেন আপনাকে গায়েবী হেফাজতে রাখেন। আপনাকে কবুল করেন ইসলামের খাদেম হিসেবে।
✨ সালাম হে খামেনী, সালাম হে ইরান, সালাম হে মজলুমদের পাশে দাঁড়ানো সকল সাহসীদের।
আমরা ভুলে যাই—“মাযহাব” নয়, একতা আমাদের শক্তি। আমরা ভুলে যাই—দু’টি রাকাত নামাজের আগে একজন শিশু কীভাবে গাজার ধ্বংসস্তূপে শহীদ হয়।
👉 সময় এসেছে শত্রু চেনার। 👉 সময় এসেছে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর। 👉 সময় এসেছে একসাথে বলার—“আমরা নির্যাতিতের পক্ষে, যেই হোক না কেন।”
আমরা ধর্মীয় বিভাজনে নয়, বরং মজলুমের পাশে দাঁড়িয়ে সত্যিকার উম্মাহর পরিচয় দিতে চাই। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়াত দান করুন, আর আমাদের ইমামদের হিফাজত করুন। আমিন।
🕊️ শেষ কথা:
"জুলুমের বিরুদ্ধে নীরব থাকা মানে জুলুমকে সমর্থন করা। আর ইমাম আয়াতুল্লাহ খামেনী সেই কণ্ঠস্বর, যিনি নীরব থাকেননি।"

